এমনটা মনে করে যে বেশসা কেবলমাত্র তা কাঠের পুতুলের মত সেই বেশ্যার অঙ্গুলিহেলনে নাচতে থাকে




 পাওয়ার জন্য শ্রীকৃষ্ণের চরণে ভক্তি থাকে তাহলে বিপদে দুর্গম স্থানে মৃত্যুতে যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি থাকি অর্থাৎ দেবতাদের প্রতি বিশ্বাস ও ভক্তি থাকলে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় যার যার স্বভাব তাকে পরিবর্তন করা যায় না কুকুরও যদি রাজা করা হয় সেই কিছু তো খাবেনা আমাদের কথাতেই আছে স্বভাব যায় না মলে অর্থাৎ যত শিক্ষা জ্ঞান দান করা হোক মানুষ তার স্বভাবের পরিবর্তন করতে পারে না পুরুষ নির্ধারণ হয়ে পড়লে বিশ্বাসেই পুরুষকে ত্যাগ করে দেয় প্রজারা শক্তিহীন রাজাকে আর পক্ষী ফলভিন বৃক্ষকে ত্যাগ করে তেমনি ভজন করার পরে অতিথি গৃহকর্তার বাড়ি ত্যাগ করে চলে যায় অর্থাৎ আচার্য চানক্য বলতে চাইছেন কার্যসিদ্ধি হয়ে গেলে সেই জিনিসের আর কোন উপযোগিতা থাকে না এটাই পৃথিবীর নিয়ম বিরক্ত ব্যক্তি কোনকিছু অধিকারী হন না যে ব্যক্তি হন না তার শৃঙ্গারের অবশ্য কথা থাকেনা বিদ্বান ব্যক্তি হাসান বলেন না আর স্পষ্টবক্তা ব্যক্তির মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা যায় উচ্চাসনে বসে নয় তাকে প্রাসাদের শীর্ষে বসলে গরুর হবে অর্থাৎ আচার্য চানক্য

বলতে চাইছেন নিজের জ্ঞান বুদ্ধি এবং উনি সবকিছুর কোন পরিস্থিতিতে আছে সেটা বিচার্য নয় অত্যন্ত দর্পের ফলে বিনষ্ট হয়ে ছিল অত্যন্ত অহংকারে কৌরব ধ্বংস প্রাপ্ত হয়েছিল অত্যন্ত দানের ফলে বলিরাজ পাতালে বন্দী হয়েছিলেন অর্থাৎ কোনকিছুই অতিরিক্ত ভালো নয় ভালো বা মন্দ কোনো কাজেই অতিরিক্ত হলে তা অনিষ্ট করবেই কামধেনুর মতন করে বিদেশে এটি মাকে গুপ্তধন বলা হয় অর্থাৎ আচার্য চানক্য বলতে চাইছেন কামধেনুর কাছে যেমন যখন চাইলেই পাওয়া যায় তেমন বিদ্যার যে কোন সময় কাজে আসে মা যেমন সন্তানকে সবসময় রক্ষা করে যেমন বিদ্যা ও বিদেশে অর্থ ও সম্মান উপার্জন করতে সাহায্য করে মানুষদের রক্ষা করে আর যেহেতু বিদ্যাকে চুরি করা যায়না তাই এটি গুপ্তধন বলে মনে করা হয় বাল্যকালের যদি বিবেচনা করা হয় যৌবন অর্চনা করা হয় এবং পার্থক্যের পুরনো অর্জন না করা হয় তাহলে মৃত্যুকালে কি করবে অর্থাৎ যে বয়সে যেটা করার দরকার তাই করা উচিত তাহলে মৃত্যুর সময় আসলে আক্ষেপ করতে হয় না যতক্ষণ আসছে ততক্ষণ ভয় পাওয়া উচিত কিন্তু ভয়ের কারণে সে গেলে তার যথাযথ প্রতিকার করা উচিত অর্থাৎ ভয় পেলেও কোনো

সমস্যা নেই কিন্তু বিপদটা মাথা ঠান্ডা করে মোকাবেলা করতে হবে বৃদ্ধাবস্থায় ক্লান্ত হয়ে পড়া অথবা সম্পত্তির ভাই অথবা আত্মীয়দের হাতে চলে যাওয়া অর্জনের জন্য অন্যের উপর আশ্রিত হয়ে থাক এই তিনটি জিনিস মানুষের কাছে মৃত্যুর সমান দক্ষতায় হয় সাপের বিষ দাঁত থাকে মাছের বিস্তার মাথায় থাকে 2020 সালে যে থাকে অর্থাৎ এই সকল প্রকার বিষাক্ত প্রাণী দের শরীরের একটা অংগ থাকে কিন্তু দুজন মানুষের শরীরের সকল অঙ্গ হিসেবে পরিপূর্ণ থাকে মানুষের যদি থাকে তাহলে তার অন্য কোন খারাপ জিনিসের প্রয়োজন হয়না ব্যক্তি যদি অন্যের পেছনে তার নিন্দা করে তাহলে তার থেকে বড় পাপ আর কি হতে পারে আর যদি ব্যক্তির জীবনের সত্যবাদিতা সত্যচরণ ইত্যাদি থাকে তাহলে তার শতকরা কি অবশ্য কথা মানুষের মন যদি পবিত্র হয় তাহলে

বিভিন্ন দেশ থেকে স্নান করে কি লাভ মানুষের মধ্যে যদি প্রেম থাকে তাহলে তার অন্য গুণের কি প্রয়োজন যদি সংসারে তর্জট ছড়িয়ে পড়ে তবে অন্য অলংকারের কি প্রয়োজন এবং প্রতারণার অপযশ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে সে বেঁচে থেকেও মৃত্যুর ওমান হয় এই সংসার হচ্ছে একটা বৃক্ষ এর দুটো ফলের মতো হয় এক মধুর বাণী আর অন্যটা স্বরসঙ্গতি আজ পর্যন্ত সমালোচনা হয়েছে আর নাইবা কেউ সোনার মৃগ ও দেখেছে ও শ্রীরামচন্দ্র স্বর্ণমৃগ ধরার জন্য উতলা হয়ে উঠেছিলেন এটা ঠিক যে যখন মানুষের খারাপ সময় পানির আসার সময় এসে উপস্থিত হয় তখন তার বুদ্ধি উল্টো কথা চিন্তা করতে থাকে এই সংসারে এমন কোন ব্যক্তি নেই যার ঝরনার অর্থপ্রাপ্তি হওয়ার পরে অহংকার হয়নি এমন ব্যক্তি ও খুঁজলে পাওয়া যাবেনা বিষয়কে লিপ্ত হয়ে থাকার পরও যাতে কষ্ট ভোগ করতে হয়নি এই সংসারে এমন কোন ব্যক্তি আছে যে সুন্দরী রূপবতী স্ত্রীর বশবর্তী নয় সম্মান পেতে থাকা

ব্যক্তি কবে সম্মানপ্রাপ্ত করেছে আর এমন কোন ব্যক্তি আছে যে দুষ্ট লোক দেখে সেটিও কুশলতা পূর্বক এই সংসারের টিকে থাকতে পারে যে মূর্খ ব্যক্তি এমনটা মনে করে যে বেশসা কেবলমাত্র তা কাঠের পুতুলের মত সেই বেশ্যার অঙ্গুলিহেলনে নাচতে থাকে সুরাপাত্র কে যেমন আগুনে পোড়ানো সেটা শুদ্ধ হয় না ঠিক তেমনি যার মনে ময়না রয়েছে সেই দূষ্ট ব্যক্তি যত তীর্থস্থান করুক না কেন সে কখনো সেদ্ধ হয় না অর্থাৎ আচার্য চানক্য বলতে চাইছেন দুষ্ট ব্যক্তিরা সূরা পাত্রের মতো হয় কোন উপায় শুদ্ধ হয় না যার হৃদয় সকল প্রাণীর তুলনায় বিগলিত তার জ্ঞানের জন্য বা মুক্তি লাভের জন্য অসাধারণ বাছাই মাখার কি প্রয়োজন অর্থাৎ সকলের প্রতি সহানুভূতি ও ভালোবাসা থাকলে জ্ঞানলাভ মুক্তিলাভ এমনি হবে মুক্তিলাভ এমনি হবে তার জন্য সাধুর বেশ ধারণ করা বা তপস্যা করার কোন প্রয়োজন নেই যে কাজ মনে মনে চিন্তা করা হয়েছে তা কথায় প্রকাশ করা উচিত নয় যেহেতু অন্যের সে কাজ জেনে গেলে তা সফল হয় না অর্থাৎ আচার্য চানক্য বলতে চাইছেন নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কাজ অন্যের জেনে গেলে তারা আপনাকে বিভিন্নভাবে নেগেটিভ কথা বলে কাজে প্যারা দিতে

পারেন বা তারা নিজেরা কাজটা করে ফেলে খুব তাড়াতাড়ি সফল হয়ে উঠতে পারে ফলে আপনার পক্ষে কাজটা করা তখন খুবই কঠিন হয়ে উঠবে জ্ঞানী ব্যক্তিরা নিজের এবং পরের জন্য উৎসর্গ করেন এগুলোর বিনষ্ট হবে তাকে ত্যাগ করাই ভাল উদ্যোগ বুদ্ধি শক্তি এবং পরাক্রম একটি জিনিস যেখানে থাকে সেখানে দেবতার সহায়তা করেন এখানে দেবতা বলতে আচার্য চানক্য ভাগ্যকে বুঝিয়েছেন উপরোক্ত 6 টি জিনিস যার মধ্যে উপস্থিত ভাগ্য তার সঙ্গে থাকে দুজন ব্যক্তি দুষ্কর্ম করে আর তার ফল ভোগ করেন সাধু ব্যক্তির আনুকূল্য সীতাহরণ আর বাধা পেরোল সমুদ্র সুতরাং আমাদের দুর্জন ব্যক্তিদের সঙ্গ ত্যাগ করা উচিত কারণ তাদের করা দুষ্কর আমাদের ঘাড়ে এসে পড়তে পারে এবং তার জন্য আমাদের ভুগতে হতে পারে জব এর অভাবে গম দেবের অভাবে মাসকলাই দেবে মধুর অভাবে গরুর দেহে এবং সি এর অভাবে তেল দেবে আমরা যখন কোন কাজ করতে চাই তখন অনেকেই ভাবে এই কাজটা কি করে করবো আমার কাছে তো এই জিনিসটা নেউল আগে এই জিনিসটা তারপর এটা করব কিন্তু আমাদের বসে না থেকে ভাবা উচিত ওই জিনিসটা পরিবর্তে আমরা কি দিয়ে কাজটা কমপ্লিট করতে পারি বা শুরু করতে পারি কারণ কাজটা শুরু করা সম্পন্ন করায় আসল কথা কোন কিছুর অভাব এ যেন কাজটা শুরু করা বন্ধ না হয়ে যায় বা সম্পন্ন করা বন্ধ না হয়ে যায় কোন ব্যক্তি বা শত্রুদের দু'ভাবে প্রতিকার করা যায় জুতো দিয়ে মুখে তুলে দেওয়া বাদুড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া বিচক্ষণ ব্যক্তিরা বৃদ্ধি এবং উচ্চ ত্যাগ করেন অর্থাৎ অনুন্নত দেশ একটি অর্থহীন কাজ করি অর্থাৎ ব্যভিচারী নারীর

কারণে মাঝে মাঝেই বন্যা হয় অর্থাৎ প্রয়োজনের জিনিস এবং অর্থাৎ যে খাবার হজম করা যায় না ধন সম্পদ দান করলে গৌরব পাওয়া যায় এর মাধ্যমে নয় জল দানকারী মেঘেদের স্থানগুলোতে জনসমুদ্রের স্থান হল নিচুতে অর্থাৎ আচার্য চাণক্য বলছেন অপমান করা হলো মানুষের পরম কর্তব্য পুস্তকের মধ্যস্থতায় প্রয়োজনে সেই বিদ্যা এবং কোনটাই কাজে আসে না অর্থাৎ এখানে বোঝানো হচ্ছে শুধু বই পড়লে বেনা বিদ্যাকে আয়ত্ত করতে হয় নয়তো সে বিদ্যা কোন কাজে আসবে না ঠিক তেমনি অন্যের হাতে চলে যায় তাহলে প্রয়োজনের সেই ধন আর ফেরত পাওয়া যায় না বন্ধুরা টাকা পয়সা এমন একটা জিনিস কখনো প্রয়োজন হয় তা বলা যায় না সুতরাং এটি কে সামলে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন টাকা-পয়সার অনেক মানুষের সঙ্গে ঝামেলা হয় এমনকি আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব দের মধ্যেও টাকা ধার দিয়ে প্রয়োজনের সময় ফেরত না পেয়ে অনেক গন্ডগোল সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্ক ভেঙে যায় তাই যে কেউ হাজার চাইলেও টাকা ধার দেওয়া উচিত নয় মানুষকে খুব ভালোভাবে বিচার করে টাকা ধার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত যাতে প্রয়োজনের সময় এসে টাকা চাইলে ফেরত পাওয়া যায় এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে আজকে এ পর্যন্তই 


Reactions

Post a Comment

0 Comments