পাগল হল সারা দুনিয়ার মানুষ তাকে বেকুব বলেই জানত কিন্তু সেই পাগল এই দুনিয়ার জন্য এত কিছু

 



আমরা এইগল্পে তে আপনাদের সাথে এমন এক ব্যক্তি কথা শেয়ার করব যাকে সারা দুনিয়ার মানুষ পাগল হল সারা দুনিয়ার মানুষ তাকে বেকুব বলেই জানত কিন্তু সেই পাগল এই দুনিয়ার জন্য এত কিছু করেছে চিঠি হয়তো আপনিও জানেন না আপনারা হয়তো ভাবছেন আমি কেন এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি এখন প্রতিটি মানুষের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে থাকে সেগুলো বের করে নিয়ে আসা আমাদের জন্য মাঝে মাঝে আপনি আপনাকে নিয়ে আসতে পারবেন পাশাপাশি আপনাকে কিভাবে কাজে লাগাতে পারবে না কথা বলব একটু ধৈর্য্য ধরুন বাচ্চাকাচ্চা কিভাবে পড়াশোনা করা নটির বাচ্চা আমরা জীবনেও দেখি নাই কোন কিছুই হবে না সারা দিন এভাবে করে সেই বাচ্চার মা কে প্রচলন করেছিল কোন কাজকর্ম নেই পড়াশোনা সব অভিনয় করে তার মা তাকে বাসায় নিয়ে আসে এবং চেষ্টা করে কিন্তু সেই বাসায় উঠতে চায় না সে একদিন এক জায়গায় বসে দেখে একটি ছোট্ট পাখি পোকামাকড় খাচ্ছে তখন সে ভাবল তখন তার মাথায় তাহলে মানুষ হতে পারবে অপেক্ষা করতে থাকেন বন্ধু 

হয়তোবা এখন পড়তে শুরু করবেবন্ধু হয়তো বা এখনি পড়তে শুরু করবে কিন্তু ঘটনা ঘটল তার উলটো সে ওরা তো দূরে থাক সে অনেক অসুস্থ হয়ে যায় পরে সেই অসুস্থ বাচ্চার মা যখন পুরো ঘটনাটি জানতে পারে তখন তার মাকে অনেক বেশি অপমান করে এমন সব ঘটনা ঘটানোর পর মানুষজন তাকে পাগল আবার বলা শুরু করে আর এর নামই হলো 1040 করেছেন মুভি ক্যামেরা ডেসিমিটার মেমোরি ক্রাফট কার্বন মাইক্রোফোনে থেকে শুরু করে সবার শেষে আবিষ্কার করেন আপনার আমার ঘরে আলো দেয় সেটি তিনি আবিষ্কার করেছেন চলনা বাড়িতে যাওয়া যায় কোন ভাবেই পড়াশোনায় মন বসে না তখন তার মা তাকে ট্রেনে পত্রিকা বিক্রি করার জন্য পাঠিয়ে দেয় যখন তার বয়স ছিল মাত্র 12 বছর শেষে সময় পত্রিকা বিক্রির পাশাপাশি সবজি বিক্রি করে সেই টাকা তিনি নতুন এক্সপেরিমেন্ট যেহেতু তার সারাদিনের নিউজ পেপার এবং সবজি বিক্রি করতে করতে সে তার এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে যেতে বারণ করেছেকারণ এর লোকজন যে তাকে বকবক করে বিভিন্ন রকম খারাপ কথা তাকে বলে সেগুলো তারা এখন থেকে আর শুনতে হবে না এরপর সে ট্রেনে না

 যেতে পেরে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করা শুরু করে তার স্বপ্ন তখন থেকেই পূরণ হওয়া শুরু হয় যখন সেই ফ্যাক্টরি মেশিন নষ্ট হয় সে তার মালিক কে বলল আমি কি নষ্ট মেশিন থেকে একটু চেক করতে পারি তখন তার মালিকের অনুমতি দিলে করতে গিয়ে মেশিন ঠিক করে থাকে তার পড়াশোনার দায়িত্ব ছিল একজন পাগল পাগলজুতার স্বপ্ন ছিল একজন সাইন্টিস্ট হওয়ার তার কাজকর্ম দেখতে কেমন পাগল পাগল তাই কোন সাইন্টিস্ট ইন তাকে তার এসিস্টেন্ট হিসেবে নিতে রাজি হয়নি তাই তিনি তার ফ্যাক্টরিতে কাজ করার টাকা জমিয়ে নিজেই নিজের বাসায় একটি ছোট্ট তৈরি করেন সেখানে তিনি এক্সপেরিমেন্ট করা শুরু করেন তিনি বিদ্যুৎ এর ব্যাপারে এনআরসির ব্যাপারে আরো অনেক কিছু বিষয়ে অনেক এক্সিডেন্ট করে নেই তারপর তার মনে হয় সে সবাইকে বলা শুরু করে তিনি পরিণত করেছিলেন পরিণত করতে পারেনি কিন্তু একজন  

সাধারন মানুষ হয়ে এত বড় জিনিস আবিষ্কার করেছে তাকে বলা শুরু করে তো পুরাই পাগল এত বড় বড় সায়েন্টিস্ট চেষ্টা করে যে জিনিসটি করতে পারেনি সে পারবে কি ভাবে যখন সে অনেক ছোট ছিল তখন তাকে দেখে বলেছিলেন আস্তে আস্তে পাগল হয়ে যাবে কারণ তার অনেক সংস্কার রয়েছে আর সবচেয়ে অদ্ভুত ইস্কুলে গিয়েছিল আর বিদ্যুতের পরিণত করতে 9910 হাজার বার করার মাধ্যমেই বাল্ব আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন এই পাগল বাচ্চা যে সারা দুনিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করে দিয়েছিলে তখন সব দেখে অবাক হয়েছিলেন তার চেয়েও বেশি অসুস্থ ব্রেইনে বাচ্চা একটি ছোট বাচ্চা কি করে অনুভব করল আপনার আমার ঘরে চলে যখন তিনি বাল্ব আবিষ্কার করেছিলেন তখন তাকে জিজ্ঞেস করেছিল আপনি 9999 থেকে উত্তরে বলেছিলেন আমি 9999 9999 করেছিলাম আপনাদের মধ্যে অনেকেই বলতে পারেন তার পড়াশোনার কি

 দরকার সবকিছু পারেন তাহলে আমি আপনাদেরকে একটু বলি তার জন্যকিন্তু সে তার নাম বলতে পারেনি সে ভুলে গিয়েছিল তখন তার সাথে দাঁড়াল তার পরিচিত একজন তার নাম কি বলেছিলাম তোমাকে আমি এমন কোন কাজ করতো আর এটি আপনাকে শোনানোর একটি উদ্দেশ্য আপনি এই দুনিয়ায় করতে পারবেন যদিও বা আপনাকে পাগলী বলি আপনাকে বলুক না কেন তাহলে এটি আপনার জন্য ক্ষতির কারণ আপনাদেরকে সকল সমস্যার মধ্যে দিয়ে সেটি হলো সারাদিন এত কাজ টাইমই পাই না একটু বিনোদন করব বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিব আবার অনেকে মনে হয় সারাদিন তো তেমন কিছুই করলাম না তাহলে কি করে আমি আসলাম তাহলে সারাদিন এই চলে যাচ্ছে এর প্রধান দুটি কারণ হলো আমরা সারাদিন এত পরিমান অপ্রয়োজনীয় কাজ করি যেটি আসলে আমাদের কোন দল কারী ছিল না আর নাম্বারটি আমরা সারাদিন একটু একটু 

করে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন একটা কষ্ট করে আমরা প্রতিদিন আমাদের ঠান্ডা করে চলে গেল সেটি হচ্ছে এই গল্পে তে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব শুরু করার আগে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সেই মুহূর্তে আপনার জন্য কতটা জরুরি1 থেকে 2 বছর পর এগুলোর কোনো মূল্যই থাকবেনা আপনার লাইফে আমরা যেটাই করি নিজে জানা সত্ত্বেও সেই কাজ গুলোই বেশি করি যেগুলো আসলেই আমাদের লাইফে কোন ভ্যালু অ্যাড করে না আর এতে করে আমাদের মূল্যবান গোল্ডেন টাইম মানে আমাদের সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যেটি আমরা আর কখনোই ফিরে পাবো না তাই নিজের স্বার্থের জন্য হলেও সারাদিন বেশীরভাগ সময় কাজে লাগাতে হবে যেটি আপনার জীবনের ওয়েট করবেন অবশ্যই কোনো কাজের মাঝে রাখা যাবে না আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি একটি জরুরী কাজ করার মাঝে ফোন কল রিসিভ করেই খাবার খাওয়ার

 বাহানা দিয়ে উঠে যাই বা অন্য কারো সাথে কথা বলা শুরু করে দেই আর এতে করে যেটি হয় আপনি সেই কাজটির বেস্ট জাপানি অনুযায়ী আপনি যদি কোনো কাজ ছাড়াই মনোযোগ দিয়ে করতে পারেন তাহলে সেই কাজটি তিন থেকে চার গুণ বেশি ইফেক্টিভ হবে এবং তিন থেকে চার গুণ সময় বেচে যাবে কোন কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট টার্গেট সেট করে দিতে হবে এবং নিজেকে একটি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে হবে আপনি এই কাজটা কমপ্লিট করে ফেলেন এতে করে কাজটি দ্রুত করার জন্য এবং অন্যদিকে নষ্ট করা থেকে দূরে রাখবে টাইমে কোন কাজটি করতে হবে তা আপনার সিডিউল অনুযায়ী করে ফেলতে পারবেন এতে করে প্রচুর পরিমাণে আমাদের অনেক সময় এমন হয় কোন একটি কাজ করতে হবে তার আগে আমাদের হাতে কিছু সময় পড়ে আছে বা কারো জন্য ওয়েট করছি তখন সেই সময়টাকে কাজে লাগানো যেতে পারে যেমন আপনি জীবনের জন্য উপকারী কোন বইয়ের কিছু করতে পারেন পরবর্তীতে আপনি করবেন

 সেই কাজটির জন্য কোন সেট করে রাখতে পারেন এতে করে আপনার টাইমটা নষ্ট হবে না আমরা অনেক সময়ই নিজের কাজ বাদ দিয়ে অন্যের সাথে আড্ডা দিতে চলে যায় তার কোন কাজ করতে তার সাথে চলে যায় আর দিনের-পর-দিন এভাবেই চলছে এতে করে আপনার মূল্যবান গুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আমি এটাই বলতে চাচ্ছি না মানুষের উপকার করবেন না কিন্তু আমি বলতে যাচ্ছি নিজের কাছে গুরুত্ব দিতেই হবে আপনার যখনই কোনো ইম্পরট্যান্ট কথা মনে পড়বে যেটি আপনার পরে করতে হবে সাথে সাথে একথাও নোট করে ফেলতে হবে কারণ হলো সারাদিন আমরা নানা ব্যস্ততার কারণে আমাদের ইম্পরট্যান্টকাজগুলো মাঝে মাঝে ভুলে যাই কোথাও নোট করা থাকলে সেটি টাইম মতো মনে পড়ে যাবে পাশাপাশি সেই কাজটির নিয়ে যদি আপনার মাথায় কোনো ইম্পরট্যান্ট আইডিয়া এসে থাকে তাহলে সেটি ও সাথেসাথেই 

নোট করে রাখবেন এর জন্য বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এস রয়েছে গুগল ক্যালেন্ডার রয়েছে-গুগল রয়েছে এগুলো রয়েছে যেগুলোতে কাজে লাগাতে পারেন আপনি যে জায়গায় কাজ করেন সেই জায়গাটিকে খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে হবে কারণ হলো না থাকে তাহলে আপনার কাজের মাঝে কোন কিছু দরকার হলে সেটি খুঁজে পাবেন না তখন সেটা কি আপনার কাজের সময় প্রচুর পরিমাণ নষ্ট হবে এবং নষ্ট হয়ে যাবে তাই বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে বিভিন্ন রকম জিনিস কিনতে হয় এমন করা যায় যে জিনিস গুলো সেই জিনিস গুলো হিসেব করে যতটুকু সম্ভব করে বের হওয়ার প্রয়োজন হবে না এতে করে মিলিয়ে দেখবেন আপনার বেঁচে গিয়েছিল তার খাবার তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দেয় আপনি আপনার মত করে আপনার জন্য এভাবে একসাথে একই সময় করে নিতে পারেন আপনাদের কাছে আমার একটা রিকোয়েস্টকাজগুলো মাঝে মাঝে ভুলে যাই কোথাও নোট করা থাকলে সেটি টাইম মতো মনে পড়ে যাবে পাশাপাশি সেই কাজটির নিয়ে যদি আপনার মাথায় কোনো ইম্পরট্যান্ট আইডিয়া এসে থাকে তাহলে সেটি ও 

সাথেসাথেই নোট করে রাখবেন এর জন্য বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এস রয়েছে গুগল ক্যালেন্ডার রয়েছে-গুগল রয়েছে এগুলো রয়েছে যেগুলোতে কাজে লাগাতে পারেন আপনি যে জায়গায় কাজ করেন সেই জায়গাটিকে খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখতে হবে কারণ হলো না থাকে তাহলে আপনার কাজের মাঝে কোন কিছু দরকার হলে সেটি খুঁজে পাবেন না তখন সেটা কি আপনার কাজের সময় প্রচুর পরিমাণ নষ্ট হবে এবং নষ্ট হয়ে যাবে তাই বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে বিভিন্ন রকম জিনিস কিনতে হয় এমন করা যায় যে জিনিস গুলো সেই জিনিস গুলো হিসেব করে যতটুকু সম্ভব করে বের হওয়ার প্রয়োজন হবে না এতে করে মিলিয়ে দেখবেন আপনার বেঁচে গিয়েছিল তার খাবার তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দেয় আপনি আপনার মত করে আপনার জন্য এভাবে একসাথে একই সময় করে নিতে পারেন আপনাদের কাছে আমার একটা রিকোয়েস্ট গল্পে টি আপনারা আপনাদের সাথে শেয়ার করুন  


Reactions

Post a Comment

0 Comments