বন্ধুরা সোশ্যাল মিডিয়ার এত বেশি ক্ষমতা যে এখন সোশ্যাল মিডিয়া যে কাউকে রাস্তা রাস্তা তৈরি করতে পারেন আর এরই একটি উদাহরণ হল রানু মন্ডল জেলি কিছুদিন আগেও নিজের পেট ভরানোর জন্য রেলস্টেশনের গান করত কিন্তু অচিন্ত্য চক্রবর্তী নামের একজন তার মধ্যে তার ট্যালেন্ট কে বুঝতে পারে এবং রানু মন্ডল এর গান কে মোবাইলে রেকর্ড করে সেটিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে দেয় যদিও কেউ এটা কল্পনাও করতে পারেননি যে অথিন্দ্র তারা শেয়ার করা ভিডিও দেখতে দেখতে কারো জীবন বদলে দেবে কিন্তু সেটাই হয় ধীরে ধীরে রানু মন্ডল এর গান এত বেশি ভাইরাল হয় যে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অনেক সেলিব্রিটি তার কানে প্রশংসা করে আর এরপরে রেলস্টেশনে গান করা রানু মন্ডল পর্যন্ত পৌঁছে যায় আর এখন হিমেশ রেশমিয়ার আপকামিং মুভি রানু মন্ডল এর গান দেখা যাবে যদি এই সমস্ত ঘটনার পর এখন সবাই এটা জানতে চাই যে রানা মন্ডল কে আর আজ আমি আপনাদের সেটাই বলবো রানু মন্ডল ওয়েস্টবেঙ্গল নদিয়া

ডিসটিক রানাঘাট এর বাসিন্দা আর ওনার বিয়ে হয় মুম্বাইয়ের থাকা বাবলু মন্ডল এর সঙ্গে কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে রানুর হাজব্যান্ড তাড়াতাড়ি মারা যায় এরপরে রানু মন্ডল রানাঘাট এসে থাকা শুরু করে কিন্তু ফিরে আসার পরে বাড়ির লোকজন থাকে কোন ভাবে সাপোর্ট করেনি আর এই কারণে সে নিজের পেট ভরানোর জন্য কিছু না কিছু করতে চেয়েছিল আর মাত্র কুড়ি বছর বয়সে একটি ক্লাবের জন্য কান দেওয়া শুরু করেন আর রানা মন্ডল বলেন তখনও লোকজন তার গলার আওয়াজে প্রশংসা করত আর তাকে সবাই রনি ভাবি বলে ডাকত কিন্তু সমাজ ও পরিবারের চাপে এই কাজটাকে বাধ্য হয়ে ছেড়ে দিতে হয় আর এরপর রানু মন্ডলের জীবনে এমন সমস্যা আসতে থাকে কাছে খাবার মত কোনো টাকা ছিল না আর বেঁচে থাকার তাগিদেই সবশেষে রেলস্টেশনের গান করা শুরু করে আর কিছুদিন আগে সনি টিভিতে সিঙ্গার রিয়্যালিটি শোতে পেশাল গেস্ট হয়ে যান রানু

মন্ডল আর তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে আপনি রেলস্টেশনের কেন গান গাইতেন তখনও রানু মন্ডল হেসে বলে আমি রেলস্টেশনে এই কারণে গান গাইতাম কারণ আমার কাছে থাকার জন্য ভোট ছিল না আর গান গাই আমি আমার পেট ভরা তারণ কারণ গান শুনে কেউ খাবার দিত তোকেও টাকা আর ওই সময় রানুর মেয়ে ও তার হাত ছেড়ে চলে যায় কারণ তার মায়ের কাজের জন্য তার লজ্জা হত আর এই ভাবেই অনেক বছর ধরে রানু মন্ডল রেলস্টেশনের দান করেছে কিন্তু কথায় বলেনা ভগবান কে ঘার পেতে পারি তাই সত্যিই যদি কারো মাঝে ট্রেনের থাকে তাহলে সেটি কখনো কখনো বাইরে অবশ্যই আসে আর এমনটাই হয় রানু মন্ডল রানু মন্ডল এর ভিডিও রানাঘাটের অচিন্ত্য নামের একজন রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে আর দেখতে দেখতে

ওই গানটি একুশে জুলাই  হয় আর রানু মন্ডল রাত্রে নিউজে চলে আসে এরপর অনেক প্রোডাকশন হাউজ থেকে রানু মন্ডল এর কাজ শুরু হয় আর দেখতে দেখতে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যই রাতারাতি রানু মন্ডল সারা ভারতের পরিস্থিতি হয়ে ওঠে কিছুদিন আগে হিমেশ রেশমিয়ার আকৃতির একটি গান গেয়েছেন আরেক লোকের কাছে অনেক প্রিয় এছাড়া এটি ও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে রানু মন্ডলের বেড়ে ওঠা দেখে তার মেয়েও ফিরে আসে আর রানু মন্ডল বলে এটা আমার দ্বিতীয় জীবন যদি আমার মনে হয় এমন মেয়েকে দূরে রাখা দরকার কিন্তু মায়ের মতো সত্যিই কোমল

আর সবশেষে আপনাদের বলব রেলস্টেশনে গান গেয়ে যাক শেষ পর্যন্ত সেই জায়গায় পৌঁছেছে দাসের যোগ্য আর রানু মন্ডল এর জীবন থেকে আমাদের সত্যিই অনেক কিছু শেখার আছে তাই জীবনে কখনোই কোনো পরিস্থিতিতে হার মানবে না কোন পরিস্থিতিতে ভাববেন না যে আমার দ্বারা আর কোন কিছু সম্ভব নয় তো বন্ধুরা রানু মন্ডল এর জীবনের গল্প আপনাদের কেমন লেগেছে কমেন্ট করে অবশ্যই বলুন 


Reactions

Post a Comment

0 Comments